শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

মোখা: ঝুঁকিপূর্ণদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে কক্সবাজার উপকূলে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : অতি প্রবল রূপ ধারণ করে কক্সবাজার উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা করা হয়েছে। এ পরিস্থিতি কক্সবাজারের উপক‚লে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুর ২ টার পর থেকে উপক‚লে বসবাসকারি মানুষদের মাইকিং করে দ্রæত আশ্রয় কেন্দ্র যেতে স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারের পুরো উপক‚লে প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থার সাথে পুলিশ শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবে।

দুপুর ২ টার দিকে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক, কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া, ফদনারটেক উপক‚লীয় এলাকা প্রচারণা চালাতে যান কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতের মুল কেন্দ্র কক্সবাজার। এখানে প্রাণহানি রোধ, ক্ষয়ক্ষতি কমানো, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন সহ অন্যান্য সংস্থার সাথে পুলিশ মাঠে রয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না তাদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো নিশ্চিত করবে পুলিশ।

এদিকে, মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। সকাল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সাগর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট জোয়ারের পানি বেড়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানিয়েছেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপকূলের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ৩২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সমুদ্র সৈকতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচকর্মীরা কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888